শিগগিরই তনুর দ্বিতীয় দফা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন দেয়া হবে বলে জানা গেছে। ত্রুটিহীনভাবে সত্য উদঘাটন করতে ওই পরীক্ষা করা হয়েছে বলে জানান দ্বিতীয় ময়নাতদন্তের তিন সদস্যের মেডিকেল বোর্ডের প্রধান ডা. কামাদা প্রসাদ সাহা। প্রথম ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন সিআইডি নিয়ে গেছে বলে বলে জানান তিনি। এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করতে চাননি তিনি।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কুমিল্লা সিআইডির পরিদর্শক গাজী ইব্রাহিম ময়নাতদন্ত রিপোর্ট গ্রহণ করার বিষয়টি স্বীকার করলেও মামলার অগ্রগতির বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। গত ৩০শে মার্চ কবর থেকে তনুর লাশ উত্তোলন করে দ্বিতীয় দফা ময়নাতদন্ত করা হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কুমিল্লার সিআইডির একজন কর্মকর্তা জানান, মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হতে দ্বিতীয় দফার ময়নাতদন্ত রিপোর্ট এবং ঘাতকদের চিহ্নিত করতে ডিএনএসহ অন্যান্য রিপোর্ট এবং সন্দেহভাজনদের ভয়েস রেকর্ডের সহায়তা নেয়া হবে। সূত্রমতে, গতকাল সকালে পুলিশ সদর দপ্তরে এ বিষয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে মামলার আলামতসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। মামলার ক্লু উদঘাটনের বিষয়ে সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দেন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। তার আগে গত সোমবার এ বিষয়ে সিআইডি কার্যালয়ে এই সংস্থার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের পর গতকাল কুমিল্লায় পৌঁছেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডি’র পরিদর্শক গাজী ইব্রাহিম।
নিখোঁজ যুবকের সন্ধান মেলেনি:
তনু হত্যাকাণ্ডের পর ২৮শে মার্চ গভীর রাত থেকে নিখোঁজ যুবক মিজানুর রহমান সোহাগের সন্ধান মেলেনি এখনও। নিখোঁজ সোহাগের বাবা নুরুল ইসলাম, বোন খালেদা আক্তার সাংবাদিকদের জানান, তনু হত্যাকাণ্ডের পর তনুর ভাই ও মা-বাবার ছবি টেলিভিশনে দেখে তনুর ছোট ভাইয়ের নিকট বন্ধু হিসেবে ফোনে খোঁজখবর নেয়ার চেষ্টা করেন তিনি। এরপরই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য পরিচয়ে তাকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। গতকাল পর্যন্ত থানা, ডিবি, র্যাব ও জেলা পুলিশসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজ-খবর নিয়েও তার কোনো সন্ধান পাননি তারা। সোহাগের সন্ধান না পেয়ে উদ্বেগ-উকণ্ঠার মধ্যে দিনাতিপাত করছেন তার স্বজনরা। নিখোঁজ মিজানুর রহমান সোহাগ কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার নারায়ণসার গ্রামের মো. নুরুল ইসলামের পুত্র।
গত ২০শে মার্চ রাতে কুমিল্লা সেনানিবাসের অলিপুর এলাকা থেকে সোহাগী জাহান তনুর লাশ উদ্ধার করা হয়। এ বিষয়ে তার পিতা কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের অফিস সহায়ক ইয়ার হোসেন বাদী হয়ে ২১শে মার্চ অজ্ঞাতের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। বর্তমানে চাঞ্চল্যকর এই মামলাটি তদন্ত করছে সিআইডি।
সূত্র:মানবজমিন
Wednesday, 6 April 2016
Home »
» পোস্টমর্টেম রিপোর্ট সিআইডিতে
পোস্টমর্টেম রিপোর্ট সিআইডিতে
রিয়েলনিউজ২৪বিডি,কুমিল্লা:চাঞ্চল্যকর সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলার তদন্তের বিভিন্ন দিক নিয়ে গতকাল পুলিশ সদর দপ্তরে বৈঠক করেছেন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। ওই বৈঠকে মামলার তদন্ত সহায়ক দলের প্রধান সিআইডি’র সিনিয়র পুলিশ সুপার আবদুল কাহ্হার আকন্দ উপস্থিত ছিলেন। এদিকে, গতকাল তনু’র লাশের প্রথম ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেয়েছে সিআইডি। বিকালে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগ থেকে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন গ্রহণ করেছেন। সিআইডির হাতে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পৌঁছানোর আগে গণমাধ্যমকর্মীদের আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করেন কুমেক-এর ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. কামাদা প্রসাদ সাহা। এই প্রতিবেদনের বিষয়ে বক্তব্য দিয়ে বিপাকে পড়েছেন তিনি। তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশ করার আইনানুগ কোনো সুযোগ নেই বলে মনে করেন তারা। বিষয়টি সিআইডি’র তদন্তকারী কর্মকর্তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে অবহিত করছেন বলে সূত্রে জানা গেছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডা. কামাদা প্রসাদ সাহা বলেন, গতকাল (সোমবার) মিডিয়ার সামনে কথা বলায় আমি সমস্যায় আছি। সূত্রে জানা গেছে, সোহাগী জাহান তনুর লাশের প্রথম ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন গত সোমবার দুপুরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. কামাদা প্রসাদ সাহার কাছে দাখিল করেন ময়নাতদন্তকারী কর্মকর্তা ও ফরেনসিক বিভাগের প্রভাষক ডা. শারমিন সুলতানা। গতকাল মঙ্গলবার বিকালে এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সিআইডি’র পরিদর্শক গাজী মো. ইব্রাহিম ডা. কামাদা প্রসাদ সাহার কাছ থেকে সোহাগী জাহান তনুর প্রথম ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করেন। ময়নাতদন্তের ওই প্রতিবেদনে তনুকে ধর্ষণের কোন আলামত পাওয়া যায়নি, মৃত্যুর কারণও সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা হয়নি। সেই সঙ্গে ভিসেরা রিপোর্টে বিষক্রিয়ারও কোনো অস্তিত্ব মেলেনি।
শিগগিরই তনুর দ্বিতীয় দফা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন দেয়া হবে বলে জানা গেছে। ত্রুটিহীনভাবে সত্য উদঘাটন করতে ওই পরীক্ষা করা হয়েছে বলে জানান দ্বিতীয় ময়নাতদন্তের তিন সদস্যের মেডিকেল বোর্ডের প্রধান ডা. কামাদা প্রসাদ সাহা। প্রথম ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন সিআইডি নিয়ে গেছে বলে বলে জানান তিনি। এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করতে চাননি তিনি।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কুমিল্লা সিআইডির পরিদর্শক গাজী ইব্রাহিম ময়নাতদন্ত রিপোর্ট গ্রহণ করার বিষয়টি স্বীকার করলেও মামলার অগ্রগতির বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। গত ৩০শে মার্চ কবর থেকে তনুর লাশ উত্তোলন করে দ্বিতীয় দফা ময়নাতদন্ত করা হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কুমিল্লার সিআইডির একজন কর্মকর্তা জানান, মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হতে দ্বিতীয় দফার ময়নাতদন্ত রিপোর্ট এবং ঘাতকদের চিহ্নিত করতে ডিএনএসহ অন্যান্য রিপোর্ট এবং সন্দেহভাজনদের ভয়েস রেকর্ডের সহায়তা নেয়া হবে। সূত্রমতে, গতকাল সকালে পুলিশ সদর দপ্তরে এ বিষয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে মামলার আলামতসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। মামলার ক্লু উদঘাটনের বিষয়ে সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দেন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। তার আগে গত সোমবার এ বিষয়ে সিআইডি কার্যালয়ে এই সংস্থার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের পর গতকাল কুমিল্লায় পৌঁছেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডি’র পরিদর্শক গাজী ইব্রাহিম।
নিখোঁজ যুবকের সন্ধান মেলেনি:
তনু হত্যাকাণ্ডের পর ২৮শে মার্চ গভীর রাত থেকে নিখোঁজ যুবক মিজানুর রহমান সোহাগের সন্ধান মেলেনি এখনও। নিখোঁজ সোহাগের বাবা নুরুল ইসলাম, বোন খালেদা আক্তার সাংবাদিকদের জানান, তনু হত্যাকাণ্ডের পর তনুর ভাই ও মা-বাবার ছবি টেলিভিশনে দেখে তনুর ছোট ভাইয়ের নিকট বন্ধু হিসেবে ফোনে খোঁজখবর নেয়ার চেষ্টা করেন তিনি। এরপরই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য পরিচয়ে তাকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। গতকাল পর্যন্ত থানা, ডিবি, র্যাব ও জেলা পুলিশসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজ-খবর নিয়েও তার কোনো সন্ধান পাননি তারা। সোহাগের সন্ধান না পেয়ে উদ্বেগ-উকণ্ঠার মধ্যে দিনাতিপাত করছেন তার স্বজনরা। নিখোঁজ মিজানুর রহমান সোহাগ কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার নারায়ণসার গ্রামের মো. নুরুল ইসলামের পুত্র।
গত ২০শে মার্চ রাতে কুমিল্লা সেনানিবাসের অলিপুর এলাকা থেকে সোহাগী জাহান তনুর লাশ উদ্ধার করা হয়। এ বিষয়ে তার পিতা কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের অফিস সহায়ক ইয়ার হোসেন বাদী হয়ে ২১শে মার্চ অজ্ঞাতের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। বর্তমানে চাঞ্চল্যকর এই মামলাটি তদন্ত করছে সিআইডি।
সূত্র:মানবজমিন
শিগগিরই তনুর দ্বিতীয় দফা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন দেয়া হবে বলে জানা গেছে। ত্রুটিহীনভাবে সত্য উদঘাটন করতে ওই পরীক্ষা করা হয়েছে বলে জানান দ্বিতীয় ময়নাতদন্তের তিন সদস্যের মেডিকেল বোর্ডের প্রধান ডা. কামাদা প্রসাদ সাহা। প্রথম ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন সিআইডি নিয়ে গেছে বলে বলে জানান তিনি। এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করতে চাননি তিনি।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কুমিল্লা সিআইডির পরিদর্শক গাজী ইব্রাহিম ময়নাতদন্ত রিপোর্ট গ্রহণ করার বিষয়টি স্বীকার করলেও মামলার অগ্রগতির বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। গত ৩০শে মার্চ কবর থেকে তনুর লাশ উত্তোলন করে দ্বিতীয় দফা ময়নাতদন্ত করা হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কুমিল্লার সিআইডির একজন কর্মকর্তা জানান, মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হতে দ্বিতীয় দফার ময়নাতদন্ত রিপোর্ট এবং ঘাতকদের চিহ্নিত করতে ডিএনএসহ অন্যান্য রিপোর্ট এবং সন্দেহভাজনদের ভয়েস রেকর্ডের সহায়তা নেয়া হবে। সূত্রমতে, গতকাল সকালে পুলিশ সদর দপ্তরে এ বিষয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে মামলার আলামতসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। মামলার ক্লু উদঘাটনের বিষয়ে সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দেন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। তার আগে গত সোমবার এ বিষয়ে সিআইডি কার্যালয়ে এই সংস্থার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের পর গতকাল কুমিল্লায় পৌঁছেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডি’র পরিদর্শক গাজী ইব্রাহিম।
নিখোঁজ যুবকের সন্ধান মেলেনি:
তনু হত্যাকাণ্ডের পর ২৮শে মার্চ গভীর রাত থেকে নিখোঁজ যুবক মিজানুর রহমান সোহাগের সন্ধান মেলেনি এখনও। নিখোঁজ সোহাগের বাবা নুরুল ইসলাম, বোন খালেদা আক্তার সাংবাদিকদের জানান, তনু হত্যাকাণ্ডের পর তনুর ভাই ও মা-বাবার ছবি টেলিভিশনে দেখে তনুর ছোট ভাইয়ের নিকট বন্ধু হিসেবে ফোনে খোঁজখবর নেয়ার চেষ্টা করেন তিনি। এরপরই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য পরিচয়ে তাকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। গতকাল পর্যন্ত থানা, ডিবি, র্যাব ও জেলা পুলিশসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজ-খবর নিয়েও তার কোনো সন্ধান পাননি তারা। সোহাগের সন্ধান না পেয়ে উদ্বেগ-উকণ্ঠার মধ্যে দিনাতিপাত করছেন তার স্বজনরা। নিখোঁজ মিজানুর রহমান সোহাগ কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার নারায়ণসার গ্রামের মো. নুরুল ইসলামের পুত্র।
গত ২০শে মার্চ রাতে কুমিল্লা সেনানিবাসের অলিপুর এলাকা থেকে সোহাগী জাহান তনুর লাশ উদ্ধার করা হয়। এ বিষয়ে তার পিতা কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের অফিস সহায়ক ইয়ার হোসেন বাদী হয়ে ২১শে মার্চ অজ্ঞাতের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। বর্তমানে চাঞ্চল্যকর এই মামলাটি তদন্ত করছে সিআইডি।
সূত্র:মানবজমিন






0 comments:
Post a Comment