ভারতের জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের (জেএনইউ) ঘটনাপ্রবাহকে ঘিরে গত বেশ কিছুদিন ধরে তোলপাড় চলছে। শিক্ষার্থীদের সেই আন্দোলনকে দেশবিরোধী কর্মকাণ্ডের আখড়া উল্লেখ করে রাজস্থানের এক বিজেপি নেতা বলেছেন বিয়ারের ক্যান থেকে শুরু করে কনডম বা গর্ভপাতের ইনজেকশন – এগুলো নাকি সেখানে রোজ পড়ে থাকতে দেখা যায় সেখানে ।
ভারতের ক্ষমতাসীন দলের ওই নেতা জ্ঞানদেব আহুজা রাজস্থানের একজন বিধায়কও বটে। জেএনইউ-র দেশদ্রোহীদের বিরুদ্ধে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এই অভিযোগগুলো করেন। তিনি বলেন, জেএনইউ-তে আপনি রোজ তিন হাজার বিয়ারের বোতল বা ক্যান, দুহাজার মদের বোতল, দশ হাজার সিগারেটের পোড়া টুকরো, তিন হাজার ব্যবহার করা কনডম ও পাঁচশো গর্ভপাতের ইনজেকশন পড়ে থাকতে দেখবেন। রাজস্থানের আলোয়াড়ে এ সপ্তাহের গোড়ায় আয়োজিত ওই জনসভায় তিনি আরও অভিযোগ করেছেন এই কনডমগুলো আমাদের মেয়ে-বোনদের সঙ্গে অনৈতিক কাজকর্ম করার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে।
বিজেপি বিধায়ক এতেই থামেননি, তিনি আরও অভিযোগ করেছেন রাত আটটার পর জেএনইউ-তে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হয়, আর তাতে না কি প্রচুর পরিমাণে ড্রাগ বা মাদক নিয়ে ছেলেমেয়েরা উলঙ্গ হয়ে নাচ গান করে। জেএনইউ-তে কী পরিমাণে দেশবিরোধী কাজকর্ম হচ্ছে তার প্রমাণ তুলে ধরতে গিয়েই বিধায়ক এ সব কথা বলেন।
তবে তিনি জেএনইউ-এর ‘পাপে’র এই তালিকা পেশ করার পরই তা নিয়ে তুমুল হইচই শুরু হয়ে গেছে। তিনি কোথা থেকে এ সব তথ্য পেলেন, জানতে চাওয়া হলে ওই বিজেপি বিধায়ক বলেছেন সোশ্যাল মিডিয়া আর নানা টিভি চ্যানেল থেকেই তার হাতে এসব তথ্য এসেছে। ৬৩ বছর বয়সী এই রাজনীতিবিদ নিজের সরকারি জীবনবৃত্তান্তে ঘোষণা করেছেন তার পড়াশুনো ভারতের মাধ্যমিক পর্যায় পর্যন্তই। অর্থাৎ তিনি নিজে কোনোদিন কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের চৌকাঠ মাড়াননি।
তবে শখের অভিনেতা হিসেবে তার নামডাক আছে। প্রতি বছর তার নির্বাচনী কেন্দ্রে যে রামলীলা নাটক হয়, তাতে তিনি রাবণের ভূমিকায় অভিনয় করে থাকেন। জ্ঞানদেব আহুজা জেএনইউ-তে যে সব জিনিস পাওয়া যায় বলে বলেছেন, সেই তালিকা এখন ভারতে সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হয়ে উঠেছে। #বিজেপিকাউন্টসকনডোমস (কনডোম গুনছে বিজেপি) টুইটারে গত চব্বিশ ঘণ্টা ধরে সাঙ্ঘাতিক ট্রেন্ড করছে!
Showing posts with label কনডম. Show all posts
Showing posts with label কনডম. Show all posts
Wednesday, 24 February 2016
‘জেএনইউতে রোজ পড়ে থাকে বিয়ারের ক্যান, কনডম’
ভারতের জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের (জেএনইউ) ঘটনাপ্রবাহকে ঘিরে গত বেশ কিছুদিন ধরে তোলপাড় চলছে। শিক্ষার্থীদের সেই আন্দোলনকে দেশবিরোধী কর্মকাণ্ডের আখড়া উল্লেখ করে রাজস্থানের এক বিজেপি নেতা বলেছেন বিয়ারের ক্যান থেকে শুরু করে কনডম বা গর্ভপাতের ইনজেকশন – এগুলো নাকি সেখানে রোজ পড়ে থাকতে দেখা যায় সেখানে ।
ভারতের ক্ষমতাসীন দলের ওই নেতা জ্ঞানদেব আহুজা রাজস্থানের একজন বিধায়কও বটে। জেএনইউ-র দেশদ্রোহীদের বিরুদ্ধে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এই অভিযোগগুলো করেন। তিনি বলেন, জেএনইউ-তে আপনি রোজ তিন হাজার বিয়ারের বোতল বা ক্যান, দুহাজার মদের বোতল, দশ হাজার সিগারেটের পোড়া টুকরো, তিন হাজার ব্যবহার করা কনডম ও পাঁচশো গর্ভপাতের ইনজেকশন পড়ে থাকতে দেখবেন। রাজস্থানের আলোয়াড়ে এ সপ্তাহের গোড়ায় আয়োজিত ওই জনসভায় তিনি আরও অভিযোগ করেছেন এই কনডমগুলো আমাদের মেয়ে-বোনদের সঙ্গে অনৈতিক কাজকর্ম করার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে।
বিজেপি বিধায়ক এতেই থামেননি, তিনি আরও অভিযোগ করেছেন রাত আটটার পর জেএনইউ-তে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হয়, আর তাতে না কি প্রচুর পরিমাণে ড্রাগ বা মাদক নিয়ে ছেলেমেয়েরা উলঙ্গ হয়ে নাচ গান করে। জেএনইউ-তে কী পরিমাণে দেশবিরোধী কাজকর্ম হচ্ছে তার প্রমাণ তুলে ধরতে গিয়েই বিধায়ক এ সব কথা বলেন।
তবে তিনি জেএনইউ-এর ‘পাপে’র এই তালিকা পেশ করার পরই তা নিয়ে তুমুল হইচই শুরু হয়ে গেছে। তিনি কোথা থেকে এ সব তথ্য পেলেন, জানতে চাওয়া হলে ওই বিজেপি বিধায়ক বলেছেন সোশ্যাল মিডিয়া আর নানা টিভি চ্যানেল থেকেই তার হাতে এসব তথ্য এসেছে। ৬৩ বছর বয়সী এই রাজনীতিবিদ নিজের সরকারি জীবনবৃত্তান্তে ঘোষণা করেছেন তার পড়াশুনো ভারতের মাধ্যমিক পর্যায় পর্যন্তই। অর্থাৎ তিনি নিজে কোনোদিন কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের চৌকাঠ মাড়াননি।
তবে শখের অভিনেতা হিসেবে তার নামডাক আছে। প্রতি বছর তার নির্বাচনী কেন্দ্রে যে রামলীলা নাটক হয়, তাতে তিনি রাবণের ভূমিকায় অভিনয় করে থাকেন। জ্ঞানদেব আহুজা জেএনইউ-তে যে সব জিনিস পাওয়া যায় বলে বলেছেন, সেই তালিকা এখন ভারতে সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হয়ে উঠেছে। #বিজেপিকাউন্টসকনডোমস (কনডোম গুনছে বিজেপি) টুইটারে গত চব্বিশ ঘণ্টা ধরে সাঙ্ঘাতিক ট্রেন্ড করছে!




